Stop Rape
আপনি ইমোশনাল? আপনি ইন্ট্রোভার্ট? বেশিরভাগ মানুষ আপনাকে অপছন্দ করে ?
না করুক।
আপনার বেঁচে থাকার জন্য ১০০ জনের সাপোর্ট দরকার নেই, কিছু মানুষ আপনাকে ভালোবাসলেই চলবে।
অন্যের পছন্দ-অপছন্দ, ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে নিজের জীবন চলে না, নিজের জীবন নিজের মত চলে, নিজের নিয়মে চলে এবং সেভাবেই চলবে।
চারপাশে শুধুই মানুষের জাজমেন্ট চলতে থাকবেই, আপনি আইফোন ব্যবহার করলেও মানুষ কথা বলবে, আপনি কমদামী ফোন ব্যবহার করলেও মানুষ হাসবে, আপনি মেকআপ দিলেও মানুষ খোঁচা দিবে, মেকআপ না দিলেও মজা করবে।
আপনার চলাফেরা, আপনার কথাবার্তা, আপনার রেজাল্ট, আপনার ক্যারিয়ার - যেমনই হোক, কিন্তু দিন শেষে আপনার ..
আপনার জীবনে আপনি কিভাবে চলবেন, কোথায় যাবেন, কোথায় পড়বেন, কোথায় চাকরি করবেন, ক্যারিয়ারে কি করবেন - এই সব সিদ্ধান্ত আপনার নিজের।
আপনার সাইন্স ভালো লাগে না, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করে দেখে সাইন্স নিয়ে পড়বেন, তা কেন হবে ?
আপনি বেসরকারি চাকরি করতে চান, কিন্তু মানুষের চাপে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিসিএস দিতে চাচ্ছেন, এমন কেন করবেন??
Teaching দেয়া আপনার প্রিয় শখ, কিন্তু কেউ কেউ আপনাকে দেখে হাসাহাসি করে দেখে আপনি নিজের শখ বিসর্জন দিচ্ছেন! অথচ এমন কেন হবে?!
খেয়াল করলে দেখবেন, প্রতিনিয়ত আপনার কথা আর কাজগুলো কিভাবে কিভাবে জানি অন্যের ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে বদলে যাচ্ছে।
২০২০ সালে যে ১০টি দক্ষতা তরুণদের থাকা চাই
আমাদের দেশে তরুণদের খুব প্রচলিত একটি অভিযোগ, “চাকরি নেই!” অনেকেই দেশের স্বনামধন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, এমবিএ করছে, ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ছে, কিন্তু কিছুতেই একটা ভালো চাকরি জোগাড় করতে পারছে না। সমস্যাটা কোথায়- কর্মসংস্থানের অভাব, নাকি দক্ষতার অভাব?
একটি দেশের দক্ষ মানব সম্পদের চেয়ে কোন সম্পদই মূল্যবান নয়। বাংলাদেশের ১৮-৩৫ বছর বয়সীদের জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, যা আনুমানিক ৫ কোটি। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে এ বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশই কাজ পাচ্ছেনা কোথাও।
বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ স্নাতক সম্পন্ন করেও বেকার। অনেকের ধারণা তার কোন মামা-খালু নেই তাই চাকরী হচ্ছে না। অনেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে দোষারোপ করে থাকে। অনেকে মনে করেন দেশে কর্মসংস্থানের পরিমাণ সীমিত।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে দেশে দুই লাখের বেশি বিদেশী নাগরিক কর্মরত রয়েছেন যাদের বেশিরভাগই ভারতের। এর পরের ধাপে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক। আমাদের দেশেরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ে কর্মরত এই বিদেশী নাগরিকগণ উপার্জিত অর্থের বড় অংশ নির্বিঘ্নে স্বদেশে পাঠাচ্ছেন যার পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪০ হাজার কোটি টাকা!
সুতরাং চাকরি নেই কথাটি ঠিক নয়, যেটি নেই তা হচ্ছে প্রয়োজনীয় দক্ষতা। অর্গানাইজেশন একটি মানুষকে তখনই চাকরি দেবে, যখন সে তাদের কিছু ‘ভ্যালু’ দিতে পারবে। এটি বিশ্বজুড়ে সব অর্গানাইজেশনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যেমন গুগলে চাকরি পেতে পরীক্ষায় বেশি জিপিএ থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব
ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই। সেখানে দেখা হয় প্রার্থী সত্যিকারের “কাজ” কতোটা জানে, সেজন্য গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতা জরুরি। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে, অনেক গবেষণা করে কিছু বিষয় খুঁজে বের করেছেন, যেগুলোর উপর নির্ভর করছে ২০২০ সালে আমাদের কর্মজীবনের সুনিশ্চয়তা। চলো জেনে নেওয়া যাক সে বিষয়গুলোর ব্যাপারে।
Critical thinking
Critical thinking এর অর্থ হচ্ছে বিভিন্ন তথ্যকে কাজে লাগিয়ে একটি যথাযথ সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া। সেজন্য কাজের সাথে সম্পর্কিত সবরকম তথ্য নখদর্পণে থাকতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলো কী কী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে, বাজারে কোন জিনিসটির চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি, নিজের কোম্পানির শক্তি-দুর্বলতার জায়গাগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে, এবং সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে প্রতিকূল মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্যতা গড়ে তুলতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোম্পানির অমুক শাখায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর Sale হচ্ছে, তোমাকে খুঁজে বের করতে হবে sales বেড়ে যাওয়ার পেছনে কী কী বিষয় কাজ করছে। সেগুলো কোম্পানির অন্যান্য শাখায় প্রয়োগ করা সম্ভব কিনা, সেটি কি দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানিকে কোন বড় প্রফিট দেবে, নাকি দেবে না- এগুলো বুঝতে হবে। এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে Data হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, যার তথ্যভাণ্ডার যত বেশি, কর্মক্ষেত্রে সে অন্যদের চেয়ে স্বভাবতই এগিয়ে থাকবে।
Creativity
একটি বিল্ডিং কারা তৈরি করে? বানানোর কাজটি করেন রাজমিস্ত্রীরা, কিন্তু মূল কৃতিত্ব কিন্তু আর্কিটেক্টের- কারণ ডিজাইনের কাজ তিনিই করে থাকেন। তাই তুমি কি নিজে থেকে কিছু তৈরি করতে পারছো নাকি গতানুগতিক কাজ করে যাচ্ছো সেটির উপর তোমার মূল্য নির্ধারিত হবে। পৃথিবীজুড়ে সৃজনশীলতার মূল্য অনেক বেশি। সৃজনশীল কর্মী সব কাজ একটু ভিন্নভাবে করে, যা গতানুগতিক পদ্ধতির চেয়ে বেশি আউটপুট নিয়ে আসে। তোমার কাজে সৃজনশীলতার প্রভাব যত বেশি থাকবে, কোম্পানি তোমার উপর ততোই খুশি হবে। তাই কেবল নিজের কাজ নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, চারদিকের সব কিছু ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। আর ছাত্রাবস্থায় প্রচুর পরিমাণে বই পড়া এবং মুভি দেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। (অ্যাকশন, থ্রিলার আর সুপারহিরো মুভি না, শিক্ষামূলক বই মুভি প্রচুর রয়েছে, সেগুলো দেখার অভ্যাস গড়ে তোলো। যেগুলো তোমার কাজের সাথে সম্পর্কিত।)
People management
আমাদের প্রজন্মের নামে প্রবীণদের অন্যতম বড় অভিযোগ- আমাদের মাঝে বিনয়ের অভাব প্রকট। অনেকসময় স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও শুনলে মনে হয় যেন ঝগড়া করছি! ইন্টারনেট এডিকশনের ফলে আরো ভয়াবহ সমস্যা তৈরি হয়েছে- সারাদিন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকে তরুণেরা, মানুষের সাথে মেলামেশা, আলাপ করার দক্ষতাগুলো একেবারেই গড়ে উঠে না। কোম্পানিতে কাজ করতে গেলে নানারকম মানুষের সাথে উঠা-বসা করতে হয়, সবার সাথে মানিয়ে চলতে হয়। তুমি বড় পদে কাজ করতে চাইলে অবশ্যই ছোট-বড় বিভিন্ন টিমকে নেতৃত্ব দিতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে তুমি কীভাবে তোমার টিমকে ম্যানেজ করছো? তোমার বস কখনো তোমার টিমের সবাইকে ডেকে ডেকে খবর নিতে আসবেন না। তিনি চাইবেন সব কিছুর একটি সার-সংক্ষেপ তুমি তাঁর সামনে উপস্থাপন করবে। আর সেজন্য তোমাকে অবশ্যই টিমের সদস্যদের সাথে চমৎকার বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে, তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, কে কখন কোথায় কী কাজ করছে, কবে ছুটিতে যাচ্ছে, কার উপর কোন কাজের দায়িত্ব- সব কিছু নখদর্পণে থাকতে হবে। এই কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে করতে পারলেই কর্তৃপক্ষ তোমার উপর নিশ্চিন্ত মনে ভরসা করবে।
Warren Buffett’s law
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি ওয়ারেন বাফেটের ৬০টিরও বেশি কোম্পানি রয়েছে। পরিচালনার ক্ষেত্রে তার নীতি হলো, প্রতিষ্ঠানকে প্রধান নির্বাহী-ম্যানেজারের হাতেই ছেড়ে দিতে হবে। সুতরাং তার প্রধান কাজ হচ্ছে একজন যোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বা ম্যানেজার খুঁজে বের করা। বুদ্ধিহীন অলস লোকের পক্ষে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। আরামপ্রিয়দের ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না, কারণ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়েন তারা। আন্তরিকতা কম থাকা ব্যক্তিদের সমস্যা তাদের মাঝে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাওয়ার, উন্নতির চেষ্টা থাকে না খুব একটা। এমন ব্যক্তিদের কোম্পানিতে নিতে হবে, যাদের আদর্শ হচ্ছে, “You are your job!” যাদের পেশা শুধু উপার্জনের মাধ্যম নয়, ব্যক্তিগত গর্বও বটে। প্রতিকূল পরিবেশে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন সেখান থেকে বেরিয়ে আসার, অনুকূল সময়ে তাদের চেষ্টা থাকে উন্নতির। এমন সংগ্রামী স্বপ্নবাজ ব্যক্তিদেরই খুঁজে বের করেন তিনি। ওয়ারেন বাফেট মনে করেন, সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে চাইলে এমন ব্যক্তিদেরই দায়িত্ব দিতে হবে। এ ধরনের ব্যক্তিরা কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীনচেতা হন, নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন, যেকোন মূল্যে কাজ আদায় করে ছাড়েন। মানুষ কোনো ক্ষেত্রকে আপন ভাবতে শুরু করলে সেখানে স্বাধীনতা চায়, ঠিক এই স্বাধীনতাটাই তিনি তার ম্যানেজারদের দেন। বছরে একবার বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের বার্ষিক সভা হয়। সেখানে ওয়ারেন বাফেট প্রতিষ্ঠানের সবার এবং শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে একটি দীর্ঘ চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সবকিছু উল্লেখ থাকে।
Co-ordination with others
কর্মক্ষেত্রে অনেকরকম মানুষের সাথে কাজ করতে হয়, সবাই একরকম নয়। কারো সাথে সহজেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে, কারো সাথে আবার তোমার মিলবে না। কিন্তু কাজ করতে গেলে সবার সাথেই মানিয়ে চলার দক্ষতা থাকতে হবে। অমুককে তুমি পছন্দ করো না তাই তার সাথে কাজ করতে পারবে না- এমনটা হলে চলবে না। তাই অবশ্যই তোমাকে কাজের প্রয়োজনে সবার সাথে মানিয়ে চলার, সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। সমন্বয় সাধন না হলে কাজের মধ্যে একটি ভালো যোগসূত্র থাকবে না। তাই এই গুণটি খুব দরকারী।
Emotional Intelligence
Emotional Intelligence এর মানে হলো কাজের সময় নিজের ব্যক্তিগত আবেগকে সরিয়ে পেশাগত আচরণ করা। খুব সহজ উদাহরণ দেই, মনে করো তোমার আপনজন মারা গেছে, স্বভাবতই কর্মক্ষেত্রে তোমার মন ভার হয়ে থাকবে। কিন্তু সেজন্য যদি তোমার কাজের উপর প্রভাব পড়ে, তাহলে কিন্তু চলবে না। কারণ তোমার কাজের সাথে অনেক মানুষের কাজ জড়িয়ে আছে, তারা কিন্তু দেখতে যাবে না তোমার কী হয়েছে, তাদের কাছে শুধু কাজ আদায় হচ্ছে কিনা সেটিই মুখ্য। আবার মনে করো, কোন কারণে বস তোমাকে ঝাড়ি দিলো, তখন তোমার কাজ হবে নিজের ভুলকে স্বীকার করে নিয়ে খুঁজে বের করা- কী কারণে তোমাকে ঝাড়ি খেতে হলো! মন খারাপ করাই যাবে না, পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নিজের কাজে উন্নতি কোথায় করা যায় সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। এই ব্যাপারটাই Emotional Intelligence এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
Judgement & Decision making
সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ, এই গুণটি থাকলে তুমি সবখানে সমাদর পাবে। একজন ম্যানেজারের কাজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, সেটি সঠিক হোক আর ভুল হোক। এই গুণটি কিন্তু শৈশব থেকেই গড়ে উঠে। যেমন কোন ফ্লেভারের আইসক্রিম কিনবে থেকে শুরু করে কোন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনবে- সবখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে। খুব সহজ উদাহরণ- এই যে লেখাটি পড়ছো, এটির টাইটেল কী হবে সেটিও কিন্তু আমার নানাদিক ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আমাদের দেশে নানা কারণে মানুষের মাঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুণটি গড়ে উঠে না। কারণ বেশিরভাগ পরিবারেই বাবা-মায়েরাই সন্তানের নানা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজগুলো করে থাকেন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে তো আর বাবা-মা সাথে থাকবেন না! তাই এখানে সব কিছু বিচার করে যদি তুমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার যোগ্যতা রাখো তখনই নিজেকে লিডার হিসেবে দাবী করতে পারবে। তুমি যদি খুব ছোট ছোট ইস্যু নিয়ে বসের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করো, তাহলে তোমার উপর কর্তৃপক্ষের ভরসা গড়ে উঠবে না।
Service Orientation
মানুষের সেবা করার মানসিকতা খুব জরুরী। আমাদের দেশে এই বিষয়টির প্রচলন নেই বললেই চলে। আমরা পড়ালেখা করি- কিন্তু কোন আগ্রহ পাই না। চাকরি করতে গেলেও কাজের প্রতি কোন মমতা থাকে না। কখন ছুটি হবে, কোথায় কোথায় বেড়াতে যাবো সেগুলো নিয়ে আমরা মশগুল থাকি। তুমি যখন কোন কাজ করবে, তোমাকে অতি অবশ্যই সবার আগে সেই কাজটিকে ভালোবাসতে হবে। কারণ কাজকে ভালো না বাসলে তুমি কখনোই যথাযথ সেবা দিতে পারবে না। কর্তৃপক্ষ যখন দেখবে তোমার সেবা প্রদানে ঘাটতি, তখন স্বাভাবিক ভাবেই তোমার উপর তাদের ভরসা অনেক কমে যাবে। কমপক্ষে হলেও দু’টি বিদেশি ভাষা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ
Negotiation
Negotiation কে সোজা বাংলায় বলা চলে মীমাংসা করা, দুপক্ষের মাঝে আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে আসা। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পর তোমাকে দিনে কতগুলো Negotiation করতে হবে তুমি ভাবতেও পারবে না! তুমি যদি এই কাজটি করতে অপারগতা প্রকাশ করো, তাহলে স্বভাবতই অনেক পেছনে পড়ে যাবে! বর্তমান পৃথিবীর ব্যবসায়িক জগতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ Negotiation। আমাদের দেশের অনেক এজেন্সি শুধুমাত্র Negotiation করার জন্য কিছু কর্মীকে কোম্পানিতে রাখে। সুতরাং তুমি যদি এই কাজটিতে দক্ষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলো, তাহলে কোম্পানিতে তোমার এগিয়ে যাওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না! এই Negotiation এর দক্ষতাও কিন্তু একদম ছোটবেলা থেকেই গড়ে উঠে। বাজারে গিয়ে দোকানীর সাথে দরাদরি, বন্ধুদের মাঝে মন কষাকষির মীমাংসা, কাউকে কোন কিছুতে রাজি করানো- জীবনে সবক্ষেত্রেই Negotiation স্কিলের মূল্য অপরিসীম।
Cognitive Flexibility
তুমি যেই বিষয় নিয়ে পড়ালেখা করছো তার বাইরেও নানা বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। কমপক্ষে হলেও দু’টি বিদেশি ভাষা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পৃথিবীতে কী কী ঘটছে, কোন দেশের রাজনৈতিক সামাজিক পরিস্থিতি কেমন- সবকিছু নিয়ে ভাল ধারণা থাকতে হবে। সেজন্য নিয়মিত খবরের কাগজ পড়ার অভ্যাস অবশ্যই গড়ে তুলতে হবে। তুমি যদি মনে করো “আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি, ডোনাল্ড ট্রাম্প আর পুতিনের মাঝে কী আলোচনা হলো সেটি জেনে আমার কি লাভ!” তাহলেই মুশকিল! সবকিছু নিয়েই প্রাথমিক পর্যায়ে জ্ঞান থাকতে হবে। পাওয়ারপয়েন্ট, এক্সেল, ভিডিও এডিটিং এগুলো তো অপরিহার্য। তাই এখন থেকেই নানা বিষয়ে দক্ষতা গড়ে তোলো। যেখানেই যাবে সবকিছু মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে, শেখার চেষ্টা করবে। তাহলেই তোমার এগিয়ে যাওয়া কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
কিছু বেসিক সভ্যতা আর ভব্যতা
১. কিছু লোকের ধারনা উনার এক রিং এ দুনিয়ার সবাই কল রিসিভ করতে বাধ্য। আর রিসিভ না করলে উনি অবুঝ গার্ল্ফ্রেন্ডের মত কলের পর কল করতেই থাকে। অথচ সভ্যতা হলো, দুইবারের বেশি কাউকে এক নাগারে কল দেবেন না। হয়ত সে অন্যকোনো জরুরী কাজে ব্যস্ত। আর হ্যা, খুব জরুরী না হলে কাউকে রাত দশটার পর কল দেবেন না। এক্ষেত্রে আপনি যদি মংগোলিয়া থেকে কল করেন, সেইটা আপনার ব্যাপার; রাত দশটা মানে, যাকে কল করসেন তার ঐখানে রাত দশটা।
২. ট্রিট দিবেন বলে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে রেস্টুরেন্টে যাবার পর দেখবেন কেউ কেউ এক্সপেন্সিভ সব ডিশ অর্ডার করতে শুরু করে। ফ্রি পাইলে বাঙালি আলকাতরা খায় আর ট্রিট পাইলে ক্যাভিয়ার শ্যাম্পেন মারতে চায়। আপনি ভদ্রলোক হলে ট্রিট পেতে গিয়ে ভুলেও দামী ফুড অর্ডার করবেন না। বরং পারলে যে ট্রিট দিচ্ছে তাকেই মেনু সিলেক্ট করতে দিন।
৩. "তুমি এখনো বিয়ে করো নাই?" "আপনার বাচ্চা কাচ্চা হয়না?" "ফ্ল্যাট কিনবা কবে?" "আপনার ওজন কত?" "ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন? কী হইসে?" বেহুদা এইসব প্রশ্ন করবেন না, এই জাতীয় প্রশ্ন করা স্রেফ অসভ্যতা।
৪. নিজে ভালো করে না জেনে, পাব্লিকলি আরেকজনকে শিখাইতে আসবেন না। অলয়েজ প্রশংসা করবেন পাব্লিকলি আর ক্রিটিসাইজ করবেন ইনবক্সে। আরেকজনের মতামতের গুরুত্ব দিতে শিখুন। কথার মাঝখানে অযথা বাম হাত ঢুকাবেন না, ত্যানাও প্যাচাবেন না। ভুল করেছেন টের পাওয়া মাত্র সরি বলে ফেলুন। আর কেউ সরি বললে তাকে ফার্দার হেনস্থা করবেন না।
৫. নিজের মোবাইলে কেউ কোনো ছবি দেখতে দিলে অযথা পরের কিংবা আগের ছবিটি দেখবার চেষ্টা করবেন না, কারন পরের ছবিটি হয়ত এমন কোনো ছবি যা আপনাদের দুজনের জন্যই অস্বস্তিকর হতে পারে। ইন্ডোর ক্লাশ কিংবা সেমিনারে মোবাইল সাইলেন্ট রাখুন। আপনার সাথে মেসেঞ্জারে এড আছে বলেই দুম করে কল করে বসবেন না। প্রথমে মেসেজ দিন, অপরপক্ষ কথা বলতে আগ্রহী কিনা জানুন। আবার পরিচয় হলেই জোর করে কাউকে ফেসবুকে এড করতে বাধ্য করবেন না। সেই সাথে বারবার কারো মোবাইল নম্বর চাওয়াটাও অনুচিত।
৬. নিজের সন্তান ছাড়া অন্য কারো বাচ্চাকে জড়িয়ে ধরা বা চুমু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৭. কেউ কিছু খেতে অফার করল কিন্তু আপনার খাবার রুচি নেই, সেক্ষেত্রে পোলাইটলি না বলুন। কিন্তু খাবার শুঁকে কিংবা একটু চেখে দেখে 'না' বলাটা অভদ্রোচিত।
সবাইকে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ এর শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ। বাংলা নববর্ষ চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যে লালিত এক অনন্য দিন। দিনটি সবাইকে প্রবলভাবে আপ্লুত করে এবং পুরাতনকে পেছনে ফেলে সামনে চলার অফুরন্ত প্রেরণা যোগায়। দেশজুড়ে চৈত্রসংক্রান্তি ও বৈশাখী মেলা উদযাপন দেশীয় সংস্কৃতির প্রসারেও অনবদ্য ভূমিকা রাখে। আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, ব্যবসা, পার্বণসহ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বাঙালির জীবনে বাংলা নববর্ষের আবেদন তাই চিরন্তন ও সর্বজনীন। পৃথিবীতে খুব কম দেশ বা জাতিরই নিজস্ব পঞ্জিকা রয়েছে, তাই আমরা বাঙালি হিসাবে গর্বিত। অতীতের সব গ্লানি ও বিভেদ ভুলে বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমাদের ঐক্য আরও সুদৃঢ় করবে এবং বয়ে আনবে অফুরন্ত আনন্দের বারতা- এই প্রত্যাশা রইল।
In Business Losses & Profit Episode-Opposition of the same currency
Job options business. But there are many problems faced by businesses in this case. Successful businessmen are able to overcome these obstacles. But how? How to monitor business details? Want to get into the business? Then all the arrangements, including capital, labor, workers and raw materials, have to be filled.
Jupiter was hanging blue on the finger and hanging on the forefront beforehand. This is the beginning of Laksmilabh. But stand up! Somewhere, all calculations are going to confuse! The unrest is increasing. Trying to make the mind lighter. But do not want to go off the forearm from the forehead. It just seems that the rice does not read inaccurately? Can I see the face of profit in the end?
Well, the business will stand up? Stands to mean? The jet will run at the speed of the plane! Once you have decided to step in front of a storm after losing the job, will you be in the moment? You have to go ahead. And this is the reason to repair your mental trauma, this is it.
Enjoy: And you have not been able to ride the plane even after ten or five of all. Tried to be self-sufficient by investing all of your own. Honorable decision! Then you have to enjoy the work. This is the first and primary condition of being extremely optimistic in such creative work. Know the reason
In Business profits and losses are almost like currency epithelium When it comes, it is not easy to guess before. And what's the fun thing to say? You have to do the toss. So, if you become unconscious in the thought of losses from the past, but you are uncalled for
Risk: There is a need to have a chest on the business name. Be bold. This job is not for you if you have a mentality to reduce the speed of your life. As the business continues to run like the Arab Sheikh, it is too stupid to get the Padma-Meghna out of the eyes of fear. Only decide on the cold head. Take risks if necessary. And b positive
Maintain intimacy: Maintain intimacy in the workplace. In order to be successful in this competitive era, you have to be a few steps ahead of being creative. From the point of intelligence. From the point of view of prudence From the right plan From the direction of leadership Above all, take the risk. The main condition of success in this market is the application of 'Magazine'.
Take everyone away: The business is yours But your organization or organization has the responsibility to implement your dream. So, take their views seriously. Listen to all the experiences and suggestions. Think carefully later.
Take the lead: It is undeniable that the need for qualified leadership to move the business towards profits. Your business From this place you are the craftsman of this team. So, do not be behind them, lead the team playing in front of the front. Do not take responsibility for the shoulders of your colleagues and subordinate employees sitting in your own house because of business. Go to the office. Sit in regular discussions. Take part in important meetings. Listen to all the attention and attention. Judge. Understand that someone is misinformed and he will not hear the misery on the head. Being patient and patient is not just business, but being a man is also important.
Future: Provide confidence in the way forward. Conquer fear. Avoid Negative Thinking. Do not go to hide any excuses if you fall in business. Consult experts before returning to the market if needed. Read the biography of famous businessmen Learn from those who have touched the moon's moon, starting from zero. Learn about grief about the kind of problems that may arise in the business.
Also, check out the solution-formula. Get into the competition with yourself to keep pace for business growth. Keep increasing the profitability of each month, so that you can keep track of your own progress track record before you can tell others. One more important tips? Do not expect Laksmilabh to announce the discount or discounts on your organization's brand or product. If the value of your 'things' is good then people will buy it. He does not need a discount. Finally, there is no special difference between entering the business and drawing pictures. In a white canvas, a beautiful picture emerges as a mix of different colors, so a successful business is born in a combination of plan-capital-workers. The difference is just one. The drawing ends. But not a business. Rather, it will go on as fast as possible, the better! And profitable.
ব্যবসায় লাভ-লোকসান একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ
চাকরির বিকল্প ব্যবসা। কিন্তু ব্যবসার এক্ষেত্রেও একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।সব বাধা কাটিয়েও হয়ে ওঠা সম্ভব সফল ব্যবসায়ী। কিন্তু কীভাবে? ব্যবসার খুঁটিনাটি বিষয়ে কীভাবে নজর রাখবেন? ব্যবসায় নামতে চান আপনি? তাহলে পুঁজি, শ্রম, কর্মী, কাঁচামালসহ যাবতীয় আয়োজন সারতে হবে।
বৃহস্পতিকে তুঙ্গে রাখতে আঙুলে নীল-পলাও গলিয়ে নিয়েছেন আগেভাগেই। লক্ষ্মীলাভের সূচনা এই হাল বলে। কিন্তু দাঁড়ান! কোথাও যেন সব হিসাব-নিকাশ গুলিয়ে যাচ্ছে! অস্থিরতা বাড়ছে। চেষ্টা করছেন মন হালকা করার। কিন্তু কপাল থেকে চিন্তার ভাঁজ কিছুতেই বিদায় নিতে চাইছে না। কেবল মনে হচ্ছে, চালটা কোথাও বেঠিক পড়ল না তো? শেষমেশ লাভের মুখ দেখতে পাব তো?
আচ্ছা, ব্যবসাটা দাঁড়িয়ে যাবে তো? দাঁড়াবে মানে? জেট প্লেনের গতিতে ছুটবে! চাকরির টোপ কাটিয়ে একবার স্রোতের বিপরীতে পা ফেলার সিদ্ধান্ত যখন নিয়েছেন, তখন মুহূর্তে ঢোক গিললে হবে? এগোতে আপনাকে হবেই। আর এ ব্যাপারে আপনার মানসিক ব্যারাম সারানোর দাওয়াই, এই রইল।
উপভোগ করুন: আর সবার মতো দশটা-পাঁচটার দাসত্বেও বিমানে চড়বেন না বলেই তো ব্যবসায় নেমেছেন। নিজের সর্বস্ব বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বী হতে চেয়েছেন। সাধু সিদ্ধান্ত! তা হলে কাজটা তো আপনাকে উপভোগ করতেই হবে। এই ধরনের সৃষ্টিশীল কাজে চরম আশাবাদী হওয়াটা প্রথম এবং প্রাথমিক শর্ত। কারণটা জানেন?
ব্যবসায় লাভ-লোকসান একেবারেই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো। কখন কোনটা আসবে, আগে থেকে তার আঁচ পাওয়া সহজ নয়। আর মজার ব্যাপার কী বলুন তো? টসটা আপনাকে করতেই হবে। কাজেই আগে থেকে লোকসানের চিন্তায় ঘেমেনেয়ে একশা হয়ে পড়লে আপনি কিন্তু অলরেডি ডিসকোয়ালিফায়েড
ঝুঁকি নিন: ব্যবসায় নামলে ঝুঁকি নেওয়ার মতো বুকে পাটা থাকতে হবে। সাহসী হতে হবে। সামান্য বিপদেই তল্পিতল্পা গুটিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকলে এ পেশা আপনার জন্য নয়। ব্যবসা ভালো চললে যেমন নিজেকে আরব শেখ ভাবাটা বাড়াবাড়ি, তেমনই তির আশঙ্কাতেই দুচোখ থেকে পদ্মা-মেঘনা বের করাটাও নেহাতই বোকামি। ঠা-া মাথায় ভেবে তবেই সিদ্ধান্ত নিন। প্রয়োজনে ঝুঁকিও নিন। আর বি পজিটিভ।
স্বকীয়তা বজায় রাখুন: কাজের ক্ষেত্রে স্বকীয়তা বজায় রাখুন। এই প্রতিযোগিতার যুগে সফল হতে গেলে সৃষ্টিশীল হওয়ার পাশাপাশি আপনাকে প্রতিপওে থেকে কয়েক কদম এগিয়ে থাকতে হবে। বুদ্ধির দিক থেকে। দূরদর্শিতার দিক থেকে। সঠিক পরিকল্পনার দিক থেকে। নেতৃত্বদানের দিক থেকে। সর্বোপরি ঝুঁকি নেওয়ার দিক থেকে। এই বাজারে সাফল্যকে টিকিয়ে রাখার প্রধান শর্ত হলো ‘মগজাস্ত্রে’ও প্রয়োগ।
সবাইকে নিয়ে চলুন: ব্যবসাটা আপনার। কিন্তু আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার দায়িত্ব পালন করে চলেছেন আপনার সংস্থা বা সংগঠনের কর্ম-আধিকারিকরা। সুতরাং তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দিন। সবার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ শুনুন। পরে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।
নেতৃত্ব দিন: ব্যবসাকে লাভের অভিমুখে ধাবিত করতে যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। ব্যবসা আপনার। সেদিক থেকে এই টিমের কা-ারি তো আপনি। কাজেই পেছন থেকে নয়, ফ্রন্টফুটে খেলে দলকে নেতৃত্ব দিন। ব্যবসা বলেই নিজের বাড়িতে বসে থেকে সহকর্মী ও অধস্তন কর্মচারীদের কাঁধে দায়িত্ব তুলে দেবেন না। অফিসে যান। নিয়মিত আলোচনায় বসুন। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোয় অংশ নিন। সবার কথা মনোযোগ ও গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। বিচার করুন। কেউ ভুল পরামর্শ দিচ্ছে বুঝলেই রাগের মাথায় তাকে দুকথা শোনাবেন না। মাশীল ও ধৈর্যশীল হওয়া শুধু ব্যবসা নয়, মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রেও জরুরি।
পুনশ্চ: এগিয়ে চলার পথে আত্মবিশ্বাসকে পাথেয় করুন। ভয়কে জয় করুন। নেতিবাচক ভাবনাচিন্তা এড়িয়ে চলুন। ব্যবসায় তির মুখে পড়লে কোনো অজুহাতের আড়াল খুঁজতে যাবেন না। প্রয়োজনে বাজারে নামার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন। বিখ্যাত ব্যবসায়ীদের জীবনী পড়–ন। শূন্য থেকে শুরু করে যারা আকাশের চাঁদ ছুঁয়েছেন, তাদের থেকে শিা নিন। ব্যবসায় কী কী ধরনের সমস্যা আসতে পারে তার সম্বন্ধে বিষাদে জেনে নিন।
পাশাপাশি সমাধান-সূত্রেরও খোঁজ রাখুন। ব্যবসায় উন্নতির গতি রাখতে নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতায় নামুন। প্রতি মাসের লাভের হার আগের থেকে বাড়াতে থাকুন, যাতে অন্যে বলার আগেই আপনি নিজেই নিজের উন্নতির ট্র্যাক রেকর্ড ঊর্ধ্বগামী রাখতে পারেন। আরও একটি খুব দরকারি টিপস দিই? নিজের সংস্থার ব্র্যান্ড বা উৎপাদিত দ্রব্যে ঘন ঘন ডিসকাউন্ট বা ছাড় ঘোষণা করে লক্ষ্মীলাভের আশা করবেন না। আপনার ‘জিনিস’-এর মান ভালো হলে লোকে কিনবেই। তার জন্য ছাড়ের দরকার হবে না।
শেষে জানাই, ব্যবসায় নামা আর ছবি আঁকার মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই। সাদা ক্যানভাসে নানা রঙের মিশেলে যেমন সুন্দর একটি ছবি ফুটে ওঠে, তেমনই পরিকল্পনা-মূলধন-শ্রমিক প্রভৃতির সমাহারে সফল ব্যবসা জন্ম নেয়। পার্থক্য শুধু একটা। ছবি আঁকা শেষ হয়। ব্যবসা কিন্তু নয়। বরং যত দুর্বার গতিতে তা এগিয়ে চলবে, ততই মঙ্গল! এবং লাভজনক।

