রাজাকারের সন্তান (রিজভী) আজ বিএনপির মূল মুখপাত্র! আপনি কি অন্যকিছু আশা করেন? জিয়া ডিসেম্বর ১৯৭৫-এ দালাল আইন ও রাজাকারদের বিচার বাতিল করেছিলেন, রাজাকার পুত্র তার দলের মুখপাত্র হবে না তো কোন দলের হবে? কার্টেসী: নজিব তারেক
জি বাংলা, জি টিভি, স্টার জলসা সম্প্রচার বিষয়ে রায় আগামী ২৯তারিখ। এখন কথা হচ্ছে; উক্ত চ্যানেল গুলো এদেশে সম্প্রচার হবে কি হবে না সেটা নির্ভর করছে, যে বিচারক রায় দিবেন তাঁর বউয়ের উপর। স্বাভাবিক ভাবেই বোঝা যায় রায় কি হবে!!
১০ হাজার ডলার চুরি করে ক্রিমিনাল গাড়ীতে পালাচ্ছে, পিছে তিনটা পুলিশ কার। ক্রিমিনাল দুর্ধষ ড্রাইভার ডানে-বামে কেটে বের হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ ড্রাইভারও কম যায় না। পুউ পুউ পুউ করে পিছ ছাড়ছেনা না। আরও কার খবর দেওয়া হয়েছে, বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে আসছে। ক্রিমিনাল বাজারের ভিতর গাড়ী ঢুকিয়ে দেওয়াতে বেশ ক’টি টং দোকান গুড়িয়ে গেল । ১০/১২ জন মুর্হূতেই আহত। নিহতও হতে পারে। মুহূর্তেই আরও আহত নিহতের সংখ্যা বেড়ে যায়। এবার চার গুন। ক্রিমিনালের প্রায় পিছে পিছে একই গতিতে চারটা পুলিশকারও ঢুকে পড়েছে। রাস্তা থেকে আরও একটা কার যোগ দেওয়াতে চারটা। ক্ষয় ক্ষতি এখানেই প্রায় চার গুন। সামনের মানুষ জন বাচাতে প্রথম কারটা হার্ড ব্রেক করার সাথে সাথে পিছের তিনটা ভয়ংকর গতিতে একটা আরেকটার উপর পড়ে। মুহূর্তেই ম্যাসাকার। একটু আগানোর পর সামনে থেকে আসা পুলিশকারের বেরিকেডে ক্রিমিনাল আটক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। কিন্তু ১০ হাজার ডলার পাওয়া যায়নি । মোট ২২ জন আহত, পুলিশ ৭ জন নিহত, ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক। । ইংরেজি সিনেমার এ কমন দৃশ্যের মতো চলছে বর্তমান রাজনৈতিক-সামাজিক/সরকারি পলিসি। শিক্ষা ব্যাবস্থা শেষ। বাংলা একাডেমী শেষ। শেষ হচ্ছে প্রগতীশীল। শেষ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। শেষ হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতা। এত ভাঙ্গচুর করে সরকার যাদের পিছে ছুটছে তাদের কাছে ১০,০০০ ডলার আসলেই আছে তো? তারা আসল ক্ষমতাধর তো?? হেফাজত-চরমোনাইরা আসলে কত শক্তিশালী?? [ জামাতের টাকার ফ্লো বন্ধ হলে হেফাজত, চরমোনাইরাও অর্থব হয়ে পড়বে] © Zohirul Hoque Bapy
আইনই দেশ প্রেম; আইন মান্যতাই দেশ প্রেমের প্রকাশ। (আইনকে উদার করতে আলোচনা চলতেই থাকবে, কিন্তু আইন অমান্য করা অপরাধ/পাপ)
জিয়াউর রহমানের রহস্যময় জীবন !
তারেক রহমান সকল বিএনপির নেতা কর্মীদের ইতিহাস বিষয়ক ২২টি বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন বলে ছবক দিচ্ছেন। অনলাইনে সেই ছবক কে বিএনপির নেতা কর্মীরা সগর্বে প্রচার করছে। তারেক রহমান যখন ইতিহাসের ছবক দেন তখন অবাক হইনা। অবাক হই তখনি যখন দেখি উচ্চ শিক্ষিত লোক যাদের সাথে জিয়াউর রহমানের পরিচয় ছাড়া তারেক রহমানের বসার যোগ্যতা রাখেন না তারা তার বন্ধনা,অর্চনা ও স্তুতি গাইতে থাকেন। তারেক রহমান যে বিষয় গুলা জানার প্রয়োজন বলে বিএনপির নেতা কর্মীদের বলেছেন তার সাথে আমি কিছু যোগ করলাম বিএনপির নেতা কর্মীদের জন্য: ১. শেখ মুজিবকে হত্যার পর বাকশাল নেতা মোশতাক রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন। গঠন করেন মন্ত্রীসভা। শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার প্রায় সকলেই মোশতাকের মন্ত্রীসভার সভায় শপথ নেন। জানা প্রয়োজন :: মীর জাফর ও তার সহযোগীরা কিন্তু সিরাজ-উদ-দৌলার আপনজন ছিল। তাই বলে সিরাজ-উদ-দৌলা আর মীর জাফর এক সমান হন না। ২. মোশতাক সারাদেশে সামরিক আইন জারি করেন। ঐ সময় সেনাপ্রধান ছিলেন শফিউল্লাহ। জানা প্রয়োজন :: হত্যা কান্ডের পর সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ ছিলেন কার্যত ফারুক রশিদদের হাতে জিম্মি। ১৫ আগস্টের পর সেনাবাহিনীর কমান্ড চলে যায় ফারুক রশিদদের হাতে যার নেপথ্যের নায়ক ছিলেন ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ জিয়াউর রহমান, যা ফারুক রশিদ বিবিসির সাক্ষাতকারে বলেছেন। এ ক্ষেত্রে সেনাপ্রধান হিসেবে শফিউল্লাহ ছিলেন ব্যর্থ। ৩. শহীদ জিয়া সেই সময় ছিলেন সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ। জানা প্রয়োজন :: ফারুক রশিদ এর বিবিসির সাক্ষাতকারের আলোকে বলা যায় সামরিক আইনের ৩১নং ধারার ৩ উপ ধারায় উপপ্রধান সেনাপতি হিসেবে জিয়ার দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিল অভ্যুত্থানের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ষড়যন্ত্রকারীদের আটক করা। সামরিক আইনের ৩১নং ধারার ৩ উপধারা লংগন করায় জিয়াউর রহমান এর কোর্ট মার্শাল হওয়া উচিত ছিল । [[ সামরিক আইনের ৩১নং ধারার ৩ উপধারা : " এ ধরনের কোন বিদ্রোহের অস্তিত্ব অথবা এ ধরণের বিদ্রোহের কোন অভিলাষ কিংবা এ ধরণের কোন ষড়যন্ত্রের কথা জানা সত্ত্বেও বা অস্তিত্ব আছে বলে মনে করার কারণ থাকা সত্ত্বেও বস্তুত বিলম্ব না করে তার কমান্ডিং অফিসারকে অথবা অপর কোন উর্ধ্বতন অফিসারকে খবর না দিলে কোর্ট মার্শালের বিচারে তার প্রাণদন্ড দেয়া হবে।" ]] ৪. শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের পরে মোশতাকের মন্ত্রীসভার শপথ অনুষ্ঠানে যাননি জিয়াউর রহমান। বিজয়ীর বেশে গিয়েছিল তাহের-ইনু বাহিনী এবং তৎকালীন মুজিব বিরোধী নেতারা। জানা প্রয়োজন :: তাহের-ইনু কারা ? তাহের-ইনু হলেন জিয়াউর রহমানের পুনর্জন্ম দাতা। ৩রা নভেম্বর অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ কর্তৃক জিয়াউর রহমান বন্দী হন, বিচ্ছিন্ন করা হয় টেলিফোন সংযোগ। ভুল বসত: বেড রুমের লাইনটি সচল থাকায় জিয়া তাহেরকে বলেন " Taher you are save my life "। এই একটি কথার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বন্ধু জিয়াকে মুক্ত করার জন্য গণবাহিনী দিয়ে পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুক্ত করেন। ৫. শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের পর আরো কমপক্ষে দশ দিন, অর্থাৎ ২৪ শে আগস্ট পর্যন্ত জেনারেল শফিউল্লাহ ছিলেন সেনা প্রধান। জানা প্রয়োজন :: হত্যা কান্ডের পর সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ ছিলেন কার্যত ফারুক রশিদদের হাতে জিম্মি। ১৫ আগস্টের পর সেনাবাহিনীর কমান্ড চলে যায় ফারুক রশিদদের হাতে যার নেপথ্যের নায়ক ছিলেন ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ জিয়াউর রহমান, যা ফারুক রশিদ বিবিসির সাক্ষাতকারে বলেছেন । এ ক্ষেত্রে সেনাপ্রধান হিসেবে শফিউল্লাহ ছিলেন ব্যর্থ । ৬. রাষ্ট্রদূত হিসাবে সরকারি চাকুরী কনফার্ম করার পর সেনা প্রধানের পদ ছাড়েন শফিউল্লাহ। এরপর যথা নিয়মে ডেপুটি চীফ অব স্টাফ থেকে প্রমোশন পেয়ে ২৫শে আগস্ট সেনাপ্রধান হন জিয়াউর রহমান। জানা প্রয়োজন :: রাষ্ট্রদূত হিসাবে সরকারি চাকুরী কনফার্ম করার বিষয় নয় । সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ যদি খুনি মোস্তাক গংদের পছন্দের হতেন বা তাদের দলের সংশ্লিষ্ট হতেন তাহলে সেনাপ্রধানের পদ ছাড়তে হত না। উনাকে বাধ্য করা হয়েছে। আর যথা নিয়মে যদি ডেপুটি চীফ অব স্টাফ থেকে প্রমোশন পেয়ে ২৫শে আগস্ট জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হতেন তাহলে যথা নিয়মে উপ রাষ্টপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাষ্টপতি হতেন, মোশতাক নয় । কোন অভ্যুত্থানের পর অভ্যুত্থান কারীরা তাদের গ্রুপের ছাড়া কাউকে কোন দায়িত্ব দেবেনা, বিশেষ করে সেনা প্রধানের দায়িত্ব । ৭ . সেনাপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর রক্ষী বাহিনীর প্রভাবমুক্ত একটি শক্তিশালী পেশাদার ও সেনাবাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন শহীদ জিয়া। জানা প্রয়োজন :: রক্ষী বাহিনীর প্রভাবমুক্ত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে নিজের জীবন রক্ষাকারী পঙ্গু কর্নেল তাহের সহ ১১৪৩ জন মুক্তিযুদ্ধা অফিসারকে ২/৩ মাসের মধ্যে সামরিক ট্রাইবুনালে ফাসি দেন । ৮. জিয়াকে মেনে নিতে পারেননি ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ। তিনি ভেতরে ভেতরে জিয়াউর রহমানকে সরানোর চক্রান্ত শুরু করেন। জানা প্রয়োজন :: জিয়াকে নয়, ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ মেনে নিতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর ঘাতক চক্রকে, যারা মোস্তাকের মাধ্যমে পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ পরিচালনা শুরু করে। ৯. চক্রান্তের অংশ হিসেবে খালেদ মোশারফ ১৯৭৫ সালের ২রা নভেম্বর সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন। জানা প্রয়োজন :: ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ বুঝতে পারেন যে মোসতাক নয়, জিয়াই খুনি চক্রের নেতা। তাই জিয়াকে বন্দী করে বঙ্গভবনকে খুনি চক্রের হাত থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। খালেদ মোশারফ যদি সেদিন ক্ষমতা চাইতেন তাহলে মোসতাক এবং জিয়াকে হত্যা করে নিজে রাষ্ট্রপতি হতেন, প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি করতেন না । ১০. ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোশতাকের অনুমোদন নিয়ে মেজর জেনারেল হিসেবে নিজেই নিজের প্রমোশন নেন এবং এরপর প্রশাসন চলে খালেদ মোশারফের ইশারায়। জানা প্রয়োজন :: উপরের জানা প্রয়োজন জবাব দেয়া আছে ১১. ১৯৭৫ সালের ৫ই নভেম্বর রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোশতাক। তার আগে মোশতাক এবং খালেদ মোশারফ বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব দেন ৬ই নভেম্বর। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি। শেখ মুজিব পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে ফেরত আসেন ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারী। এর দুই দিন পর ১২ই জানুয়ারী সায়েমকে প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগদেয়া হয়। জানা প্রয়োজন :: বঙ্গবন্ধুর ঘাতক চক্রকে মেনে নিতে পারেন নি বলে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ ১৯৭৫ সালের ২রা নভেম্বর অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন। যারা মোস্তাকের মাধ্যমে পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ পরিচালনা শুরু করেছিলেন তাদের হাত থেকে আবার নিয়ে আসা হয় মুক্তিযুদ্ধের ধারায়। শেখ মুজিব পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে নয়, মুক্তিলাভের পর বঙ্গবন্ধুকে লন্ডন নেয়া হয় পিআইএর বিশেষ বিমানে। লন্ডন থেকে দেশে ফিরতে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ডও বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করে। ৮ জানুয়ারী থেকে ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত এ সফরে পাসপোর্ট প্রসঙ্গই অবান্তর। পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম নিয়ে এদেশে রাজনীতি করলে, নিজের দাদা দাদির কবরের কথা, জন্মস্তানের কথা যে মনে পড়বেই । এটা যে নাড়ির টান । ১২ . ১৫ই আগস্ট থেকে মোশতাক-শফিউল্লাহর জারী করা সামরিক আইন বহাল থাকায় রাষ্ট্রপতি সায়েম একাধারে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের ও দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, ৭ই নভেম্বর সংঘটিত হয় সিপাহী- জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব। শহীদ জিয়াকে বের করে আনা হয় বন্দীদশা থেকে। জানা প্রয়োজন :: মোশতাক - শফিউল্লাহর জারী করা সামরিক আইন [[২৪শে আগস্ট পর্যন্ত জেনারেল শফিউল্লাহ ছিলেন সেনা প্রধান। ]] শফিউল্লাহ পদত্যাগ করার পর মোশতাক - জিয়া, সায়েম - জিয়া, এবং একক ভাবে জিয়া সেটাকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বলবৎ রাখেন । আকাশ থেকে বিপ্লব হয়না। ৭ ই নভেম্বর সংঘটিত বিপ্লব এর নায়ক কর্নেল তাহেরকে ফাসি দিয়েছিলেন জিয়া। অপরাধ ছিল একটি বৈধ সরকারকে উত্খাত। অর্থাৎ ২রা নভেম্বর অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী খালেদ মোশারফ-সায়েম সরকার। যে সরকার জিয়াকে বন্দী করেছিল সেই সরকার উত্খাতের জন্য জিয়া তাহেরকে ফাসি দেন । ১৩ . ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর জেলের মধ্যে সংঘটিত হয় ৪ নেতা হত্যাকান্ড। আবার ৬ই নভেম্বর পাল্টা ক্যু’তে নিহত হন খালেদ মোশারফ। ১৯৭৭ সালের ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি সায়েম। জানা প্রয়োজন :: ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ অভ্যুত্থান করার সাথে সাথে বঙ্গবন্ধুর ঘাতক চক্র পূর্বে নেয়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেল হত্যা কান্ড ঘটায় । ১৪. এ সময়কালে জিয়া ছিলেন সেনা প্রধান এবং উপ- প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। জানা প্রয়োজন :: ৬ই নভেম্বর পাল্টা ক্যু’তে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ, মেজর হায়দারদের হত্যার মাধ্যমে জিয়াকে আবার সেনা প্রধান এবং উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় । ১৫. ১৯৭৭ সালের ২০শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন বিচারপ্রতি সায়েম। এরপর প্রেসিডেন্ট এবং উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দাযিত্ব নেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জানা প্রয়োজন :: প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিচারপতি সায়েম পদত্যাগ করেন নাই। তাকে বন্ধুকের নল দ্বারা পদত্যাগ এ বাধ্য করা হয়েছিল । প্রেসিডেন্ট এর উত্তরাধিকারী কিন্তু সেনা প্রধান নয় । ১৬. ১৯৭৮ সালের ৩রা জুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার গৌরব অর্জন করেন প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়া। ঐ নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১০ জন। জানা প্রয়োজন :: জিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার যোগ্যতা ছিল নাঃ ৯ই এপ্রিল ১৯৭৯ সালে গেজেট নোটিফিকেশন নং ৭/৮ডি-১/১৭৫-২৭০ অনুযায়ী আগের নোটিফিকেশন বাতিল করে আবার নতুন ভাবে নিজেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত করেন যা ২৮ শে এপ্রিল ১৯৭৯ সালে কার্যকর হবে। আবার ৯ই এপ্রিল ১৯৭৯ সালে অন্য একটি নোটিফিকেশন নং ৭/৮/ডি-১/১৭৫-২৭১; অনুযায়ী তিনি নিজেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদ থেকে অবসর গ্রহন করান, যা কার্যকর হবে ২৯-৪-১৯৭৮ সালে। অর্থাৎ এই অবৈধ কর্মকে বৈধ করার জন্য তিনি আর একটি অবৈধ কাজ করেন। তা হলো পরের বছর অর্থাৎ ৭৯ সালে ২৮ এপ্রিল মাসে back date দিয়ে ৭৮ সালে ২৯ এপ্রিল থেকে নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত দেখিয়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করেন ১৭. ১৯৭৯ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি ২৬০টি এবং আওয়ামীলীগ ৩৯টি আসন লাভ করে। নির্বাচনে মোট ২৯টি দল অংশ নেয়। জানা প্রয়োজন : জিয়া রাষ্টপতি, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে থেকে নির্বাচন দিয়ে ছিলেন । অতএব যা হবার তাই হয়ছে । ১৮. ১৯৭৮ সালের মে মাসে শহীদ জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচী ঘোষনা করেন। জানা প্রয়োজন :: জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচীর প্রধান দফা ছিল খাল কাটা কর্মসূচী ছিনতাই করে নিজের বলে চালিয়ে দেন। যে খাল কাটা কর্মসূচী শুরু করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে খুলনার পাইক পাড়ায়। ১৯. এই কর্মসূচীর উপর জনগনের আস্থা আছে কিনা সেটি যাচাইয়ের জন্য ১৯৭৮ সালের ৩০শে মে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। জানা প্রয়োজন :: গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় জিয়াউর রহমান ছিলেন একাধারে রাষ্টপতি, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, আবার নিজেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত করে সেনা প্রধান । প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী থেকে নির্বাচন করা যায় না । ২০. জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করেননি। ১৫ই আগস্ট সামরিক আইন জারী করেন মোশতাক। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বরং তিনি সামরিক আইনপ্রত্যাহার করেন। জানা প্রয়োজন :: উপরের জানা প্রয়োজন জবাব দেয়া আছে ২১. জিয়াউর রহমান ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেননি। ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল মোশতাক সরকার ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর। জানা প্রয়োজন :: জিয়াউর রহমান ইনডিমনিটি অধ্যাদেশকে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে পবিত্র সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন । সকল খুনিদের বিভিন্ন দুতাবাসে চাকরি দেন আর সেই চাকরির এপয়েন্টমেন্ট লেটার তৈরী করে নিয়ে যান আজকের বিএনপির নেতা শমশের মবিন চৌধরী । ২২. জিয়াউর রহমান দালাল আইন বাতিল করেন নি। ১৯৭৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম,যে কিনা বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলো শেখ মুজিব কর্তৃক। জানা প্রয়োজন :: উপরে আমার লেখা " জানা প্রয়োজন " স্পষ্টত যে বঙ্গবন্ধুর ঘাতক চক্রের প্রধান নেতা ছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট থেকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে পর্যন্ত [[ ১৯৭৫ সালের ৩ রা নভেম্বর থেকে ৬ ই নভেম্বর বাদে ]] রহস্যময় জিয়া ছিলেন সকল অপকর্মের হোতা। ১৯৭৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর “দালাল আইন” বাতিলের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডসহ সাজা প্রাপ্ত ৭৫২ জন এবং বিচারের জন্য অপেক্ষমাণসহ মোট ১১ হাজার পাকিস্তানি দালাল আর মানবতা বিরোধী অপরাধীকে জিয়া মুক্ত করে দিয়ে তাদের অনেককে নিয়ে তিনি পরবর্তী কালে বিএনপি গঠন করেন। তাঁদের একজন শাহ আজিজ, যাঁকে জিয়া পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন। আর মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে বানিয়েছিলেন সিনিয়র মন্ত্রী। বি : দ্র : সাড়ে ১৬ দলীয় জোট ভুক্ত কেউ কি আছেন আমার সাথে " জানা প্রয়োজন " লেখার সাথে দ্বিমত পোষণ করে কথা বলতে । © Miah Mohammed Helal
চিকিৎসা শাস্রে 'ভ্যাকসিন' বলে একটা ব্যাপার আছে, সোজা কথায় বলতে গেলে কোন রোগের টিকা দিয়ে রাখলে সেই রোগটা হয়না বা হলেও খুব কম মাত্রায় হয়। ... ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে আইন পেশাতেও এটা আছে, যেমন ধরুন কাউকে টাকা ধার দেবার সময় যদি চুক্তি করে দেন, তাহলে দেনাদার ডিগবাজী খেলেও তাকে আপনি 'ছাই দিয়ে' ধরতে পারবেন। ... আপনি যদি কোন থানায় আধা বেলা কাটান, দেখবেন অবশ্যম্ভাবী ভাবে কিছু অভিযোগ আসছে যা পুলিশের এখতিয়ারে পড়েনা, যেমন ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ, পাওনা টাকা উদ্ধার, ইত্যাদি, উকিলের সামান্য ফী বাচাতে যেয়ে এইসব মহাজ্ঞানীরা যে গর্তে পড়েন তা হতে এক সময় হয়তো উদ্ধার পান তবে বিভিন্নজনে সুযোগ বুঝে ঠিকই এইসব মহাজ্ঞানীর পাছা লাল করে দেয় (বুঝে নিন!)। ... সচরাচর ঝামেলা হয় এমন অনেক কিছুই আছে সেসব যদি আপনারা কোন ভাল আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে সম্পাদন করেন, দেখবেন ঝামেলা নেই বললেই চলে। তবে একটা ব্যাপার আছে, আপনারা কোন আইনজীবীর চেম্বারে হামলে পড়ে পরামর্শ চাইলেই উনি তা দিয়ে দিবেন না (ডাক্তার পাইছেন নাকি?), উনার সাথে আগে ফী নিয়ে ক্লিয়ার হোন, সেই ফী দেবার প্রতিশ্রুতি দিন, তারপর আপনার প্রশ্নের বস্তা খুলুন, দেখবেন উনি ঠিকই আপনার সব প্রশ্নের জবাব এবং সাজেশন দিচ্ছেন। ... আপনি লেজে-গোবরে অবস্থায় যদি আইনজীবীর কাছে যান, তাহলে বেসরকারী ক্লিনিকগুলি যেমন আইসিইউ এর রুগীদের কোণঠাসা টাকা আদায় করে, গড়পরতা উকিলদের কাছ থেকেও তেমনই ব্যাবহার আশা করতে পারেন। ... আইন জানুন, নিরাপদ এবং ভাল থাকুন। ... ধন্যবাদ। ©কাজী ওয়াসিমুল হক।
ভাবনায়... লীগ
সিরাজুল আলম খান বা আ স ম রব ছাত্রলীগই ছিল ১৯৭২ পর্যন্ত। খন্দকার মোশতাকও লীগই ছিল ১৯৭৫ পর্যন্ত। এটা সকল পক্ষকেই বুঝতে হবে। পুরা বাক্যটি আরো এক ইতিহাস দিয়েই বলি ' নবাব সিরাজের সেনাপতি পলাশীর যুদ্ধের ময়দানে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইংরেজদের সহায়তা করেছিল'। মীর জাফর, সিআখা, রব ও মুশতাক সকলেই বিশ্বাস ঘাতকতার সুযোগ পায় তাদের অবস্থান বা তাদের উপর বিশ্বাস ছিল বলে... ছাত্রলীগকে এই বিশ্বাসটুকুর মর্যাদা দিতে শিখতে হবে, অন্যদেরও তা বুঝতে হবে। জাসদ বা ডেমোক্রেটিক লীগ বিশ্বাস ভঙ্গ করেই জন্ম নেয়। সিআখা, রব ও মুশতাককে লীগের ইতিহাস থেকে মুছে ফেললে তাদের বিশ্বাসঘাতকতার গল্পও মুছে যায়। মুছে দেয়ার চেষ্টা ইতিহাস বিকৃতিও। ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা কাউকে ক্ষমা করেনা... ©নজিব তারেক।
নিরপেক্ষতা ও আমাদের ভণ্ডামি!
নিরপেক্ষ শব্দ টা ভীষণ বাজে শোনায় মাঝেমধ্যে। 'আমি শেখ মুজিব এবং জিয়া দুজনকেই সমান শ্রদ্ধা করি' এটা হলো ঐ বাজে নিরপেক্ষতার চূড়ান্ত লেভেল। স্বার্থান্বেষী, ফালতু লোকজন এইটাইপ কথা বলে জিয়া কে বঙ্গবন্ধুর কাতারে আনার অপচেষ্টা করে। কিছু হলেই এরা বলবে বাকশালের কথা। যেন কী এক ভয়ানক ব্যাপার। বঙ্গবন্ধু এটা ঘোষণা দিয়েছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারী, কিন্তু কার্যকর তো করতে পারেননি। গভর্ণরদের ট্রেইনিং শেষ হবার আগেইতো তাঁকে হত্যা করা হলো। বাস্তবায়িত না হওয়া কর্মসূচী দিয়ে বলা হয় মুজিবের বাকশালী শাসন! কী অদ্ভুত কথাবার্তা! জিয়াতো নিজে এর অন্তর্ভুক্ত ছিলো। চিঠি দিয়ে জেলা শাসক হিসেবে নির্বাচিত গভর্নরদের অভিনন্দনও জানাইছে। ৭৬-৮১ জিয়া যেভাবে দেশ শাসন করেছে ওটা কি আদৌ কোন শাসন ছিলো? ওখানে গণতন্ত্র ছিলো? সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিলো? বাক স্বাধীনতা ছিলো? ৪ টা পত্রিকার বদলে জিয়া কি ৫ টা পত্রিকা চালু করেছিলো? তবে হ্যা, জামাতকে পুনর্বাসিত করে 'বহুদলীয় গণতন্ত্র' প্রতিষ্ঠা করেছিলো। আরেক প্যাচাল আছে এদের, রক্ষীবাহিনী। নভেম্বরেইতো এরা সেনাবাহিনীর সাথে একাত্ম হয়েছিলো জিয়ার নির্দেশে। তাদের বিলুপ্ত তো করা হয়নি! রক্ষীবাহিনী তো বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যাতে তাদের ট্রেইনিং টা দেশের কাজে লাগে। কিন্তু জিয়া অভ্যন্তরীন শৃংখলা, চোরাচালান রোধ, অস্ত্র উদ্ধারের নামে একই কাঠামোয়, একই বেতনে একটা প্যারামিলিটারী গঠন করেছিলো কাদের নিয়ে? উত্তর টা জানা আছেতো? এমনকি মৃত্যুতেও বংগবন্ধুর সমকক্ষ কেউ নয়। তাঁর বুক বিদীর্ণ করেছিলো খুনীদের ব্রাশফায়ার! বুকেই ধারন করেছেন তিনি, জিয়ার মত পিঠে নয়। বীর কখনো পিঠে গুলি খায়না। তারপরও জিয়া শহীদ, বঙ্গবন্ধু নিহত! পিটি অন ইউ ডিয়ার পিপল অব বেঙ্গল... © Kusum Kusmi
অনুসন্ধান: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মিথ্যা প্রচারনা-১
নষ্ট বিপ্লবী সিরাজ শিকদার কে নিয়ে মিথ্যা প্রচারের কারনে ঋনাত্বক বিখ্যাত হয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর উক্তি : "কোথায় আজ সিরাজ শিকদার?" ২ জানুয়ারী সাভারে নিহত হন সিরাজ শিকদার। সরকারী ভাষ্য গাড়ি থেকে পালানোর সময় গুলিতে নিহত হন তিনি। তবে কমরেড রোকনের স্মৃতিকথায় একটি গুরুত্বপূর্ন ঘটনার উল্লেখ আছে। ১৯৭৩ সালে মাদারিপুরে একবার ধরা পড়েছিলেন সিরাজ শিকদার। কিন্তু দায়িত্বে থাকা সেনা কর্মকর্তা মোহসিন তাকে পালানোর সুযোগ দেন। প্রচলিত গল্প হচ্ছে সিরাজ শিকদার মারা যাওয়ার পরদিন সংসদে দাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু সদম্ভে ঘোষণাটা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সে বছর সংসদ অধিবেশন বসে ২৫ জানুয়ারি। সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাস করানোর পর তার দ্বিতীয় বিপ্লবের (বাকশাল) বিশ্লেষণ করার এক পর্যায়ে (বক্তৃতার মাঝামাঝি) বঙ্গবন্ধু বলেন : """স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর যারা এর বিরোধীতা করেছে, যারা শত্রুর দালালী করেছে, কোনো দেশেই তাদের ক্ষমা করা হয় নাই। কিন্তু আমরা করেছি। আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়ে বলেছি দেশকে ভালোবাসো। দেশের স্বাধীনতা মেনে নাও। দেশের কাজ করো। কিন্তু তারপরও এদের অনেকে শোধরায়নি। এরা এমনকি বাংলার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে বিদেশ থেকে টাকা নিচ্ছে। ওরা ভেবেছে আমি ওদের কথা জানি না! একজন রাতের আঁধারে মানুষ মেরে যাচ্ছে আর ভাবছে তাকে কেউ ধরতে পারবে না। কোথায় আজ সিরাজ শিকদার? তাকে যখন ধরা গেছে, তখন তার সহযোগীরাও ধরা পড়বে। আপনারা কি ভেবেছেন ঘুষখোর কর্মকর্তাদের আমরা ধরবো না? যারা বিদেশীদের থেকে টাকা নেয় তাদের আমরা ধরবো না? মজুতদার, কালোবাজারী আর চোরাকারবারীদের ধরবো না? অবশ্যই ধরবো। এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। তারা কিছুই হজম করতে পারবে না। ইনশাল্লাহ, পাপী একদিন ধরা পড়বেই।। ©শওকত মুরাদ
১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর ‘ক্ষমতাসিনের সঙ্গে থাকো, তোমার সাতখুন মাপ’ সংস্কৃতিকে উসকে দেয়া হয়েছে, চর্চা করা হয়েছে... আপতো দৃষ্টিতে সে সংস্কৃতির ধারাবহিকতায় এখন ‘হাইব্রিড আওয়ামী লীগা’রে দেশ ভর্তি। নাকি বাহাত্তরের ‘কৌশল’ মুক্তিযোদ্ধা’ সাজো এবং ...
১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর ‘ক্ষমতাসিনের সঙ্গে থাকো, তোমার সাতখুন মাপ’ সংস্কৃতিকে উসকে দেয়া হয়েছে, চর্চা করা হয়েছে... আপতো দৃষ্টিতে সে সংস্কৃতির ধারাবহিকতায় এখন ‘হাইব্রিড আওয়ামী লীগা’রে দেশ ভর্তি। নাকি বাহাত্তরের ‘কৌশল’ মুক্তিযোদ্ধা’ সাজো এবং ...
প্রান্তিক মানুষেরই সেলিব্রেশন প্রতিনিয়ত... ইউরোপ আমেরিকায় প্রতি সন্ধ্যা ডিসকো, বার জমে ওঠে প্রান্তিক মানুষেই...
প্রথম ডট বাংলা (Dot Bangla) ডোমেইন উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা . উত্তরাধিকার.বাংলা এটু আই প্রকল্পাধীন প্রথম সাইট। এটি প্লে স্টোরে এপ আকারেও পাওয়া যাচ্ছে।
খন্দকার মুশতাক: সমাচার ও শিক্ষা।
১৯৫৪: এমপি ১৯৭০: এমপি ১৯৭১: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মজার বিষয় হলো, মুশতাক পররাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েও "সুশীল" পন্থার পক্ষে ছিলো। পাকিস্তান বজায় রেখে কোনো "শান্তিপূর্ণ" সমাধানের পক্ষে ছিলো। ১৯৭২ - ৭৫ আগস্ট: পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জ্বালানী মন্ত্রী, বিদ্যুৎ-সেচ-বন্যানিয়ন্ত্রণমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী। মজার ব্যাপার হলো, বঙ্গবন্ধু মুশতাকের সমস্যা জানতেন। তারপরও তাকে মন্ত্রীসভায় রেখেছিলেন। ১৫ আগস্ট, ৭৫ - ৫ নভেম্বর, ৭৫ (৮৩ দিন): প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৬: ডেমোক্র্যাটিক লীগ নামে নোতুন দল প্রতিষ্ঠা। গ্রেফতার। ৫ বছরের জেল। এরপর আর পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার দাঁড়ায় নাই। ১৯৯৬ সালে মরে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হওয়ার আগেই। মুশতাকের ইতিহাস থেকে কি শিখলাম? ১) বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকেই আসলে মুশতাকের দুর্দিন শুরু হয়। যেটাকে সে সাফল্য হিসেবে মনে করেছিলো, সেটাই ছিলো তার দুর্ভাগ্যের শুরু। বর্তমানে লীগের মুশতাকরাও টিকে আছে শেখ হাসিনার জন্য। শেখ হাসিনা না থাকলে এদেরও দুর্দশা শুরু হবে। জামায়াতের টাকা খেয়ে হজম করা সম্ভব না; সুশীলদেরকে যে-ই ফেবার করুক, তার প্রয়োজন ফুরালে সুশীলরা তাকেই প্রথমে পুন্দায়। ২) বঙ্গবন্ধু যেমন জানার পরেও মুশতাকদেরকে ক্যাবিনেটে রেখেছিলেন, শেখ হাসিনাও "হাসিনা ছাড়া লীগের সবাইকে কেনা যায়" জানার পরেও তাদেরকে আশেপাশে রেখেছেন। জনবান্ধব ও আওয়ামী লীগ প্রেমী নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। বিএনপি ঠেকাতে গিয়ে বরং আওয়ামী লীগকেই বিএনপির হাতে তুলে দিয়েছেন। তাঁর আন্তরিকতার অভাব নাই। তিনি নিজে থেকে এই সুশীলায়ন করেন নি। কিন্তু তিনি এটা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভালো নেতৃত্বকে ক্ষমতার কাছে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনীতিতে ব্যর্থতার ক্ষমা নাই।""" ©Chandra Bindu
নির্বাচনে হারের পর হিলারি-ওবামা অভিযোগ করে ট্রাম্পের জয় এবং মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের পিছনে ভ্লাদিমির পুতিন জড়িত। রাশিয়ান হ্যাকাররা নির্বাচনের ফল পাল্টে দিতে ভূমিকা রাখে...! . দুইদিন আগে ওবামা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করায় পুতিন এবং রাশিয়াকে শিক্ষা দেওয়া হবে। এই শিক্ষার কিছুটা হবে দৃশ্যমান এবং কিছুটা অদৃশ্যমান...! . তারপরই হত্যা করা হলো রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতকে ! . হত্যাকারী একজন ২২ বছর বয়সী, ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকারী গুলেনের সমর্থক। গুলেনের সাথে বর্তমান তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের দা-কুমড়ো সম্পর্ক, তাই গুলেন তুরুস্কে বসবাস করে না। গুলেন বর্তমানে আমেরিকাতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে। . কয়েক মাস আগে তুরুস্কে এরদোগানের বিরুদ্ধে যখন ক্যু হয়, তখনই গুলেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এরদোগান। তুরুস্ক তখন আমেরিকাকে চাপ দেয় গুলেনকে যেন তুরুস্কের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আমেরিকা গুলেনকে দিতে অস্বীকার করে, তখন থেকেই তুরুস্ক-আমেরিকা সম্পর্ক তলানিতে...! . এরদোগান রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে পা বাড়ায়। প্রথমেই রাশিয়ান বিমান ভূপাতিত করার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চায় এবং বিমান ভূপাতিত করা পাইলটকে আটক করে বিচারের মুখোমুখি করে। ঐ পাইলটও ছিল গুলেনের সমর্থক। রাশিয়া তখন তুরুস্কের উপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। তুরুস্কের এভাবে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়া আমেরিকা ভালোভাবে নেয় নি। . একটা সময় পর্যন্ত তুরুস্ক আই এস কে অস্ত্র দিয়ে, তেল কিনে আমেরিকার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু এরদোগানের বিরুদ্ধে সামরিক ক্যু’তে আমেরিকার জড়িত থাকায় গণেশ উল্টে যায়। অগাস্ট মাসে তুরুস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রী রাশিয়ার সাথে আই এস এর বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের ঘোষণা দেয়...! . তুরুস্কের সীমান্তের সাথেই সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শহর “আলেপ্পো’, এ শহরের আসাদ বিরোধী বিদ্রোহীদের এতোদিন তুরুস্ক অস্ত্র দিয়ে সাহায্য দিয়ে আসছিল। তাই রাশিয়ার বিমান আক্রমণ এবং আসাদের সেনাবাহিনীর অভিযানের পরেও কোনভাবে আলেপ্পো দখলদার মুক্ত করা যায় নি। হঠাৎ তুরুস্ক যখন অস্ত্র সরবারহ বন্ধ করে দিলো তখনই আসাদ এবং রাশিয়ার বিমান বাহিনী সফলতা পায়। মাত্র ৩/৪ দিন আগেই আলেপ্পো আসাদ বাহিনীর দখলে চলে যায়...! . পুতিনের আলেপ্পো বিজয় ছিল ওবামার গালে বিরাট একটা থাপ্পড়। বেচারা কোনভাবেই শোক কাটিয়ে উঠতে পারতাছে না। আলেপ্পোর ঘটনার মধ্যেই ফোর্বস ম্যাগাজিন ৪ দিন আগে ঘোষণা করে টানা তৃতীয়বারের মত আবারো বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির স্থান দখল করেছে ভ্লাদিমির পুতিন। . ওবামার অবস্থান তলানিতে। ২০ জানুয়ারি ওবামার মেয়াদ শেষ। ওবামা ২০১১ সালে রাশিয়াতে পুতিনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ইন্ধন দেয় পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য। সে প্রয়াস ব্যর্থ হয়। আজ ওবামা বিদায় নিচ্ছে অথচ পুতিন যতদিন ইচ্ছা ততদিন ক্ষমতায় থাকবে। তাই নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করার জন্য পিছন থেকে গুলি করে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতকে হত্যা করেছে ওবামা প্রশাসন, যার মূল ইন্ধনদাতা আমেরিকা এবং আমেরিকায় থাকায় তুরুস্কের নেতা গুলেন ! . কিন্তু ওবামার কূটকৌশল বেশিক্ষণ সুখকর হয় নি। কিছুক্ষণ পরেই জার্মানিতে বার্লিনের একটি ক্রিস্টমাস বাজারে চলন্ত ট্রাক ঢুকে পড়ে, নিহত হয় ১২ জন। এই ধরণের হামলা নিয়মিত চলতেই থাকবে, বেশি ক্ষতি হবে হবে ফ্রান্স আর জার্মানির। কারণ আগামী এপ্রিল-মে মাসে ফ্রান্সে নির্বাচন, আর জার্মানিতে অক্টোবর মাসে। . পুতিনের টার্গেট এবার ট্রাম্পের মত দুজনকে বসানো ফ্রান্স এবং জার্মানিতে। যত বেশি হামলা হবে তত মুসলিম বিদ্বেষ বাড়বে, আর মাথা মোটা ছাগল খ্রিস্টানেরা উগ্র জাতীয়তাবাদীদের ভোট দিবে। তারা তখন ব্রিটেনের মত ব্রেক্সিট করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাবে সবাই, সীমান্তে কাঁটাতার বসাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ন্যাটো ভেঙ্গে যাবে। সবাই একক জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র হয়ে যাবে। পুরো এডভান্টেজটা ঘরে তুলবে রাশিয়া। তাই রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত নিহত হওয়ার পর ইউরোপে আরো বেশি হামলা হবে। এটা হচ্ছে চেক এন্ড ব্যালান্স...! . রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে হত্যার মাধ্যমে ট্রাম্পকেও কিছুটা বিপদে ফেলার চেস্টা করলো ওবামা। ট্রাম্পের রাশিয়ার প্রতি ভক্তি আছে। ওবামা-হিলারি চায় না ট্রাম্প রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করুক। ওবামার টার্গেট ছিল তুরুস্কের মাটিতে যদি রাশিয়ান ডিপ্লোম্যাটকে হত্যা করা হয়, তাহলে রাশিয়া হয়ত তুরুস্ককে আক্রমণ করবে। আর তুরুস্ক আক্রমণ হলে পুরো ন্যাটো যুদ্ধ জড়াইয়া পড়বে, কারণ তুরুস্ক ন্যাটোর সদস্য ! . ট্রাম্প আবার ন্যাটোর বিরুদ্ধে, তাই সবাই তখন ট্রাম্পকে বলবে এই যে তুমি বলছিলা ন্যাটো কোন কাজের না, এখন দেখছ ন্যাটো না থাকলে রাশিয়া কি করবে ? খালি নিউক্লিয়ার মারবে ! তাই আমাদের ন্যাটোকে রাখতে হবে ! . তখন ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে বিপদে পড়বে কাকে সমর্থন দিবে ? তুরুস্ক, না রাশিয়াকে ! তখন ওবামা-হিলারি শিবির রব তুলবে আগেই বলছিলাম ট্রাম্প অযোগ্য, পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতাছে না। দেশের মানুষ ট্রাম্পকে চাপ দিবে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক যাতে উন্নতি না ঘটে, কিন্তু পুতিন খুব ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে...! . পুতিনের আমেরিকা বিজয় হয়ে গেছে, এখন বাকি ফ্রান্স আর জার্মানি। তারপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো ভেঙ্গে পড়বে...! . . এ পরিস্থিতিতে পুতিনের স্ট্রেটেজি হচ্ছে আইরিশ কবি ইয়েটসের মত। ইয়েটস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা কল্পনা করে লিখেন বিখ্যাত কবিতা "দা সেকেন্ড কামিং"। . . ইয়েটস লিখেন... "থিংস ফল এপার্ট, দা সেন্টার ক্যান নট হোল্ড"! . যখন সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে, কেন্দ্র পারে না আর আগলে রাখতে ! কেন্দ্র হচ্ছে আমেরিকা, সেটা এখন ট্রাম্পের হাতে ! ট্রাম্প পুতিনের হাতের পুতুল, ভেঙ্গে পড়তে আর কি লাগে ? . ওয়েলকাম টু দা নিউ ওয়ার্ল্ড ওর্ডার...!! . . . . . #প্রজেক্ট লেনিন
শামীম ওসমানকে ধন্যবাদ না জানিয়ে সেলিনা হায়াত আইভীকে অভিনন্দন জানালে পাপ হবে; তাই অভিনন্দন ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভী। ধন্যবাদ শামীম ওসমান। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু শেখ হাসিনা।।
Don't take decisions based on past References only, take decisions based on Future Possibilities !! © Solaiman Sukhon
ব্যবচ্ছেদ!!!
পচাত্তরের পরে আওয়ামী লীগ অনেক দিন ক্ষমতায় ছিল না মানলাম। কিন্তু ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করে এই ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ বছর ক্ষমতায় থেকে (তার মাঝে আট বছর একটানা) পিরোজপুরে সাইদী ডাইন্যাস্টির বিপরীতে একটা শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার মুরোদ আওয়ামী লীগের হয়নি। সাইডীর পুত্র মাসুদ সাইদীর পেছনে সেখানকার মানুষের ম্যান্ডেট আছে। এ কথা শুনে গায়ে ছ্যাঁকা লাগতে পারে, কিন্তু সেটাই সত্য। তো জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে উপজেলা পরিষদের গদিতে বসে পদাধিকারবলে মাসুদ সাইদী বিজয় র্যালিতে দাঁড়ালে এবং শুভেচ্ছা স্মারক পেলে আপনার 'অক্ষম কান্না' জাতীয় বন্যা ছুটিয়ে লাভ নেই। ও সরি। আমরা তো আবার মাঠের রাজনীতি বুঝি না। ©প্রীতম দাশ

